যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার চিফ অব স্টাফ হিসেবে দীর্ঘদিনের সহযোগী স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প। সুসি ওয়াইলসের জায়গায় আগামী সোমবার থেকে দায়িত্ব নেবেন মিলার।
মার্কিন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর প্রশাসনে এ পরিবর্তন আনলেন ট্রাম্প। কঠোর অভিবাসননীতির অন্যতম কারিগর হিসেবে পরিচিত মিলার এত দিন ডেপুটি চিফ অব স্টাফের দায়িত্বে ছিলেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণে শুরু থেকেই তার ব্যাপক প্রভাব ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মিলারকে নিজের ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের একজন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে বিদায়ী চিফ অব স্টাফ ওয়াইলসের কাজেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, মিলারকে এই পদে নিয়োগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নিজের নীতি থেকে সরে আসার কোনো পরিকল্পনা তার নেই।
৬৯ বছর বয়সী ওয়াইলস বৃহস্পতিবার রাতে পদত্যাগপত্র জমা দেন। হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা জানান, এখন থেকে তিনি ট্রাম্পের রাজনৈতিক শিবিরে কাজ করবেন। হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ ছিলেন ওয়াইলস। দায়িত্ব পালনকালে প্রশাসনের কাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পরিচিত ছিলেন তিনি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চিফ অব স্টাফ মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ। হোয়াইট হাউসের কর্মীদের পরিচালনা, প্রেসিডেন্টের সময়সূচি নির্ধারণ এবং সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে চারজন এই পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
