যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় ইরানের সামরিক বাহিনী এখন আরও শক্তিশালী বলে দাবি করেছে তেহরান।
আজ শনিবার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মাদ আকরামিনিয়া এই দাবি করেন।
দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আইআরএনএর বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি।
আকরামিনিয়া আরও বলেন, ‘ইরানের সেনাবাহিনীর মধ্যে এখন আরও বেশি উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশে সশস্ত্র বাহিনীর জবাব হবে তাৎক্ষণিক, কার্যকর এবং ভৌগোলিক সীমার ঊর্ধ্বে।’
হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত এই কৌশলগত সমুদ্রপথটি বন্ধই থাকবে।’
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি।
এদিকে আট মাস ধরে চলা সংঘাতের পর অচলাবস্থা কাটিয়ে নতুন করে যাতে যুদ্ধ শুরু না হয়, সে চেষ্টা করছে কাতারসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো।
গতকাল শুক্রবার অক্সফোর্ডে দেওয়া এক বক্তব্যে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মেদ বিন আবদুল রহমান আল থানি বলেন, ‘আমরা একটি নিখুঁত সমঝোতার আশায় বসে থাকতে পারি না, কারণ তেমন কিছু কোনোদিন হবে না।’
এখন পরমাণু কর্মসূচি এবং পারস্য উপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে জানান তিনি।
পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং উত্তেজনা কমানোর উপায় খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তরিকতা রয়েছে বলেও মনে করেন আল থানি।
এর আগে যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করতে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে ফোন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের সূচনা হয়।
