মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। স্বভাবতই চাপে আছেন দলটির নেতা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে কল করেন ট্রাম্প।
আজ শুক্রবার কাতার সরকারের বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সেনাঘাঁটি ও স্থাপনায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে তেহরান। কাতার, আরব আমিরাত, সৌদি আরবসহ আরও কয়েকটি দেশ হামলার শিকার হয়। গোটা অঞ্চলে দেখা দেয় সংকট।
এই আঞ্চলিক সংকটের অবসানে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছে কাতার। ট্রাম্প মূলত এই প্রচেষ্টা নিয়েই কথা বলেছেন কাতারের আমিরের সঙ্গে।
ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা এ কথা জানান।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তবে আলোচনা শুরুর বিষয়টি নির্ভর করবে তেহরানের সাতটি দাবি ওয়াশিংটন আগে পূরণ করছে কি না, তার ওপর।
ইরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ। অন্যদিকে ওয়াশিংটন জোর দিয়ে বলছে, প্রাথমিক আলোচনায় পরমাণূ কর্মসূচির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এর আগে ইরান জানিয়েছিল, তাদের সাতটি দাবি মেনে নেওয়া হলে দুই দিনের মধ্যেই জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হতে পারে।
