ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আগামীকাল সোমবার শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত এই অধিবেশন চলতে পারে।
অধিবেশনের প্রথম দিন তিনটি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হবে। তৃতীয় ও চতুর্থ অধিবেশনের বিরতির মধ্যে এগুলো জারি করা হয়েছিল। অধ্যাদেশগুলো হলো—পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬ এবং বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ-২০২৬।
গত ১০ সেপ্টেম্বর সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়। এর ঠিক ৬০ দিন পর এই অধিবেশন শুরু হচ্ছে। গত ১৪ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অধিবেশন আহ্বান করেন।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে কার্যউপদেষ্টা কমিটির এক বৈঠকের পর সংসদ সচিবালয় থেকে এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্পিকার ও কমিটির সভাপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে সংসদ নেতা তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। বিরোধীদলীয় নেতা ও কমিটির সদস্য শফিকুর রহমানও বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে চতুর্থ অধিবেশনের মেয়াদ ও সময় বণ্টন নিয়ে আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত হয় যে, সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে অধিবেশন বসবে। তবে স্পিকার চাইলে অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবসে পরিবর্তন আনতে পারবেন।
এই অধিবেশনের জন্য মোট ৩ হাজার ৭৫১টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ১৭৪টি প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জন্য।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন এলাকাকে ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ ঘোষণার প্রস্তাব দেন, যা সর্বসম্মতিক্রমে স্বাগত জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় জাতীয় সংসদে সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। এর জবাবে সংশ্লিষ্ট উপকমিটির আহ্বায়ক ও সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, এখানে ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এতে অধিবেশন চলার সময় ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ হবে। অন্য সময় উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হবে।
