স্পিন সহায়ক উইকেট বলে একাদশে কেবল দুই পেসার। তবে টস হেরে বল হাতে নিয়ে তাসকিন আহমেদ আর হাসান মাহমুদ যেভাবে ঝাঁজ দেখালেন তাতে মনে হলো আরেক পেসার বুঝি দরকার ছিল। মিরপুরে হেরে কোণঠাসা অবস্থায় থাকা বাংলাদেশ সিলেটে নেমে পেল দারুণ শুরু। যাতে বড় অবদান একাদশে ফেরা তাসকিনের।
বৃহস্পতিবার সিলেট টেস্টের প্রথম সেশনে আগে ব্যাটিং বেছে ২৬ ওভারে ৩ উইকেটে ৮৬ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই তিন উইকেট পড়েছে আবার কেবল ২৭ রানে। এরপর অভিষিক্ত কেভিন উইকহ্যাম ও আমির জাঙ্গু মিলে ১০৬ বলে অবিচ্ছিন্ন ৫৯ রানের জুটি গড়েছেন।
মুভমেন্ট থাকায় একদম প্রথম ওভারেই উইকেটের পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন তাসকিন। সেটা না হলেও উইকেট পেতে দেরি হয়নি। পঞ্চম ওভারেই আসে সাফল্য। এর আগেই অবশ্য উইকেট পেতে পারতেন হাসান। তার প্রথম ওভারে স্লিপে জশুয়া দা সিলভার সহজ ক্যাচ ফেলে দেন সাদমান ইসলাম। সেটা পরে বড় আক্ষেপের কারণ হয়নি।
পঞ্চম ওভারে তাসকিনের ভেতরে ঢোকা বলে স্টাম্প উড়ে যায় মিরপুরে ক্যারিবিয়ানদের রান তাড়ার নায়ক ব্র্যান্ডন কিংয়ের। পরের ওভারে কেভাম হজকে ফাঁদে ফেলেন হাসান। হাসানের ভেতরে ঢোকা বল স্টাম্পের উপর দিয়ে বেরিয়ে যাবে ভেবে ছেড়ে দিয়েছিলেন হজ। কিন্তু অতটা বাউন্স না থাকায় বল ফেলে দেয় হজের স্টাম্প।
হাসানের বলে বেঁচে যাওয়া জশুয়ার বিদায় তাসকিনের শিকার হয়ে। পেছনের পায়ে খেলতে গিয়ে পরিষ্কার এলবিডব্লিউ হয়ে বিদায় নেন তিনি।
দলের বিপদে অভিষিক্ত উইকহ্যাম দেখান স্থিরতা, জাঙ্গু ক্রিজে এসে খেলতে থাকেন ইতিবাচক অ্যাপ্রোচে। কোণঠাসা পরিস্থিতি থেকে থিতু হতে শুরু করে সফরকারীরা। প্রথম সেশনে ২৬ ওভারের মধ্যে বাংলাদেশের দুই পেসার মিলে করেছেন ১৬ ওভার। দুই স্পিনার বাকি ১০ ওভারে রান বেশি না দিলেও সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। এখনো পর্যন্ত উইকেটে পেসারদের রসদ দেখা গেছে। দুই পেসার একাদশে থাকায় সারাক্ষণই এক পাশ থেকে পেস রাখতে পারছেন না শান্ত।
