ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকার ছয়টি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন।
দুপুরে জিরানী এলাকায় শ্রমিকেরা একটি কারখানার গেটে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে, তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে।
পরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শিল্প পুলিশ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিকেল ৪টার দিকে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাঠানোর কথা জানান গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার বেলায়েত হোসেন।
সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যা যা করার, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি।’
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসাইন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, সকাল থেকে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক ছিল।
তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলায় ১২ প্লাটুন বিজিবি, ৫ প্লাটুন আনসার ও ৮ প্লাটুন এসআরবি মোতায়েন রয়েছে। এসব বাহিনীর মোট ২৫ প্লাটুন সদস্যের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন জেলা প্রশাসনের ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
কতদিন এসব বাহিনী মোতায়েন থাকবে, জানতে চাইলে আরিফ হোসাইন বলেন, আরও কয়েক দিন তারা মোতায়েন থাকবে। আজ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
