সকালের ঝলমলে আলোয় ব্যাট করার জন্য ছিল আদর্শ কন্ডিশন। দিনের শুরুটা ভালো করার আভাস দিয়েও হুড়মুড়িয়ে নামল ধস। তাওহিদ হৃদয় একা লড়ে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পাওয়ার আনন্দে ভাসলেও বাংলাদেশ দল আছে মহাবিপদে।
হৃদয় ১৭১ বলে ১০০ ও তাইজুল ইসলাম ১ রান করে ক্রিজে আছেন। দিনের প্রথম সেশনে ১১৭ রান তুলে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। যার তিনটাই নেন বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকন।
৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে নেমে অনায়াসে আসতে থাকে রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা প্রথম কয়েক ওভারে দিতে থাকেন আলগা বল। যার সুবিধা নিতে থাকেন হৃদয়-মুশফিকুর রহিমরা।
তিন অঙ্ক স্পর্শ করে বাংলাদেশ। তাওহিদ হৃদয় পেরিয়ে যান ফিফটি, জুটিতেও পঞ্চাশ পার হয়। সাবলীল খেলতে থাকা মুশফিক ফাঁদে পড়েন এরপর। ওয়ারিকন শর্ট মিড-অফ রেখে বল করছিলেন। ড্রাইভ করতে গিয়ে সেখানে ক্যাচ তুলে দেন ৩৪ করা মুশফিক।
লিটন ক্রিজে এসেই মারেন দুই চার। কোনো রকম ভোগান্তির আভাস না থাকলেও তিনিও আলতো শটে একই জায়গায় একই ফিল্ডারের (ব্র্যান্ডন কিং) হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন। ১৩৮ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
মেহেদী হাসান মিরাজ এসে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি হৃদয়কে। রোস্টন চেজের বলে স্কুপ করতে গিয়েছিলেন। দারুণ ক্ষিপ্রতায় আগেভাগে তা টের পেয়ে স্লিপ থেকে লেগ স্লিপে সরে অসামান্য ক্যাচ জমান জাস্টিন গ্রেইভস। এরপর ওয়ারিকন হাসান মাহমুদকে ফেরালে শেষের দিকে চলে আসে বাংলাদেশের ইনিংস।
সেশনের শেষ দিকে আগ্রাসী খেলে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করে ব্যাট উঁচিয়ে ধরেন হৃদয়।
