লাঞ্চের আগে বাঁধা জুটি দুরন্ত হয়ে উঠল লাঞ্চের পর। বাংলাদেশের বোলারদের হতাশ করে আমির জাঙ্গু ও কেভিন উইকহ্যামের শতরানের জুটিতে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে সেশনের শেষ দিকে এসে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র সাফল্য আনেন হাসান মাহমুদ।
সিলেট টেস্টের প্রথম দিনে ৪ উইকেটে ১৮০ রান নিয়ে চা-বিরতিতে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১২৪ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত আছেন জাঙ্গু। ১৯ বলে ১৬ করে ‘তার’ সঙ্গে জাস্টিন গ্রেইভস। এর আগে জাঙ্গুর সঙ্গে ১৩১ রানের জুটি গড়ে ৬১ রান করে ফেরেন অভিষিক্ত উইকহ্যাম। এই সেশনে ২৯ ওভার খেলে ১ উইকেট হারিয়ে ৯৪ রান যোগ করেছে সফরকারীরা।
৫৯ রানের জুটি নিয়ে লাঞ্চ থেকে ফিরে আরও দুর্বার হয়ে ওঠেন জাঙ্গু-উইকহ্যাম। অভিষিক্ত উইকহ্যাম ছিলেন ধীরস্থির, নিখুঁত। অনায়াসে ক্রিজে থেকে বাজে বলে রানও আনছিলেন তিনি, অন্য দিকে জাঙ্গুর স্কোরিং শট ছিল বেশি, তিনিই প্রভাব বিস্তার করছিলেন জুটিতে।
এই দুজনের জমে যাওয়া হতাশা বাড়াতে থাকে বাংলাদেশের। চতুর্থ উইকেটে শতরান পেরিয়ে আরও ছুটতে থাকেন তারা। স্পিনারদের দিয়ে বল করিয়ে তাদের মনোযোগ নাড়াতে পারছিলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরে হাসান মাহমুদকে নিয়ে আসেন আরেক স্পেলে।
হাসান এসে জাঙ্গুকে লেগ সাইডে ফিল্ডার বাড়িয়ে ট্র্যাপ করতে থাকেন। জাঙ্গু অবশ্য সেটা আঁচ করে ফেলেন দ্রুতই। হাসানের বলেই ৬৮ রানে থামতে পারতেন তিনি। পুল করে মিসটাইম হওয়া জাঙ্গুর ক্যাচ হাতে লাগিয়েও ফেলে দেন হাসান।
থিতু হয়ে বড় ইনিংসের আভাস দেওয়া উইকহ্যামকে অবশ্য ধরে ফেলেন হাসান। ভেতরে ঢোকানো বলে ডানহাতি তরুণ ব্যাটারের স্টাম্প উড়িয়ে দেন তিনি। এতে ২৫১ বলে ১৩১ রানের জুটি ভাঙে।
ক্রিজে এসে থিতু হতে সময় নেননি গ্রেইভস। সাবলীল ব্যাটে দ্রুতই দুই অঙ্কে চলে যান তিনি। জাঙ্গুর সঙ্গে ২৯ বলে ২২ রানের জুটিতে ক্যারিবিয়ানদের ভরসা দিচ্ছেন তিনি।
