Homeস্পোর্টসসাফের ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার আশায় ভারত কোচ

সাফের ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার আশায় ভারত কোচ

স্বাগতিক বাংলাদেশকেই আসন্ন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফেভারিট হিসেবে দেখছেন ভারতের প্রধান কোচ নওশাদ মুসা। তবে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা স্কোয়াডে না থাকলেও শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই ঢাকায় এসেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

সাফের সবশেষ আসরে ২০২৩ সালে ঘরের মাঠ বেঙ্গালুরুতে পূর্ণশক্তির দল নিয়ে শিরোপা জিতেছিল ভারত। এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে রেকর্ড নয়বারের চ্যাম্পিয়ন তারা। তবে এবার শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ের ও জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া খেলোয়াড়দের নিয়ে তৈরি একটি ডেভেলপমেন্ট স্কোয়াড পাঠিয়েছে তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে ভারতীয় দল। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে আগামী বৃহস্পতিবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে জাতীয় স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে একই ভেন্যুতে ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

বিমানবন্দর থেকে টিম হোটেলে যাওয়ার পথে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টি-স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের কোচ মুসা জানান নিজেদের লক্ষ্যের কথা, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে যখনই আমরা অংশ নিতে আসি, আমাদের লক্ষ্য থাকে শিরোপা জেতা এবং ভালো ফুটবল উপহার দেওয়া।’

বিদেশে বসবাসরত ফুটবলারদের নিয়ে গড়া বাংলাদেশ দলকে কীভাবে দেখছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতের এই সাবেক ফুটবলার ফেভারিটের তকমা দেন স্বাগতিকদের, ‘যদি দেখেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। তাদের বিপক্ষে কবে দেখা হবে জানি না, তবে আশা করি ফাইনালে দেখা হবে।’

ভারতের পেশাদার ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ স্তর ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) ক্লাবগুলো খেলোয়াড় ছাড়েনি। তবে আত্মবিশ্বাস হারাননি ৫৫ বছর বয়সী মুসা, ‘গত ১০ অক্টোবর থেকে আইএসএল চলছে। (পাকিস্তানের বিপক্ষে) প্রথম ম্যাচের জন্য ওই ক্লাবগুলো থেকে আমি সব খেলোয়াড়কে পাইনি, যা অবশ্যই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে তাদের ছাড়াও আমরা একটি শক্তিশালী দল।’

২০২৫ সাল থেকে ভারত অনূর্ধ্ব-২৩ দলের দায়িত্বে থাকা এই কোচ আরও বলেন, ‘আমার দলে একঝাঁক প্রতিভাবান ও ক্ষুধার্ত ফুটবলার আছে, যারা জাতীয় দলের মূল স্কোয়াডে জায়গা করে নিতে নিজেদের প্রমাণ করতে মুখিয়ে রয়েছে।’

আঞ্চলিক এই ফুটবল প্রতিযোগিতায় ভারত এবারই প্রথম অনূর্ধ্ব-২৩ বা ডেভেলপমেন্ট স্কোয়াড পাঠাচ্ছে এমন নয়। এর আগে ২০০৯ সালের আসরে ঢাকায় অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়েই সাফের শিরোপা জিতেছিল তারা। এরপর ২০১৮ সালের আসরে দলটি হয়েছিল রানার্সআপ। দুটি টুর্নামেন্টই অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঢাকায়।

উদ্বোধনী ম্যাচের প্রতিপক্ষ পাকিস্তানকে নিয়েও সতর্ক আছেন মুসা, ‘(গত সেপ্টম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠিত) ফিফা আসিয়ান কাপে আমি পাকিস্তানের খেলা দেখেছি। তারা বেশ শক্তিশালী ও শারীরিকভাবে সক্ষম একটি দল। তবে আমাদের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেভাবেই আমরা মাঠে নামব।’

RELATED ARTICLES

Most Popular