Homeআন্তর্জাতিকজ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের গড়ে ৫০০ ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত ব্যয়

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের গড়ে ৫০০ ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত ব্যয়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানির মূল্য ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের জনপ্রতি গড়ে ৫০০ মার্কিন ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে।

চলতি বছরের মার্চ থেকে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির এই ধাক্কায় সামগ্রিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার ওপর ১৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আর্থিক প্রভাব পড়েছে।

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে যেসব দেশে জ্বালানির দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, সেই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পরই আছে অস্ট্রেলিয়া।

এর ফলে চলতি বছরের মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আট মাসে অস্ট্রেলিয়ার মানুষকে জনপ্রতি স্বাভাবিকের চেয়ে গড়ে ৫৪৬ ডলার বেশি খরচ করতে হয়েছে।

একই সময়ে মার্কিনদের মাথাপিছু অতিরিক্ত ৬৬৬ ডলার এবং কানাডীয়দের ৫৯৭ ডলার খরচ করতে হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ ছিল মাথাপিছু ৪৮৪ ডলার, যা অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় কিছুটা কম।

গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০০ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ায় মুদ্রাস্ফীতির যে ছয়টি বড় ঢেউ এসেছে, তার প্রতিটিতেই তেলের দামের আকস্মিক পরিবর্তন একটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।

এই বিশ্লেষণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আগের সময়কাল অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের গড় জ্বালানির মূল্যের তুলনা করা হয়েছে।

এতে দেখা গেছে, জ্বালানির আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে অস্ট্রেলিয়াসহ ১৬৯টি দেশে মোট ৬৬৫ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। দেশটির এই ব্যয়ের পরিমাণ ২২৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ লুক হার্টিগান বলেন, ‘কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও নিউজিল্যান্ডের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ চার দেশের তালিকায় থাকাটা যৌক্তিক। কারণ, খনি ও কৃষি খাতে ব্যাপক ব্যবহারের ফলে বিশ্বে মাথাপিছু জ্বালানি ব্যবহারের হার অস্ট্রেলিয়াতেই সবচেয়ে বেশি।’

RELATED ARTICLES

Most Popular