Homeশিক্ষাপদত্যাগের খবর অস্বীকার চুয়েট উপাচার্যের, ‘শাটডাউন’ ২৩তম দিনে

পদত্যাগের খবর অস্বীকার চুয়েট উপাচার্যের, ‘শাটডাউন’ ২৩তম দিনে

ক্যাম্পাসে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধারের পর পদত্যাগের খবর অস্বীকার করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) থেকে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘আমি পদত্যাগ করেছি বা চুয়েট ক্যাম্পাসে আর কখনো পা রাখব না—এমন কোনো বিবৃতি বা ঘোষণা দিইনি। এ ধরনের খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে ৫৬ দিনের মাথায় কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই গত ২১ সেপ্টেম্বর সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে অধ্যাপক শরীফুলকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ায় বিক্ষোভ করেন চুয়েট শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এতে বেশ কয়েকদিন ধরে যোগদান করতে পারেননি তিনি। পরে গত সোমবার সকালে অধ্যাপক শরীফুল তালা ভেঙে উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টা দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্য কার্যালয়ে তালা দিলে আটকা পড়েন তিনি।

৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে উদ্ধার করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) জাহিদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম।

অবরুদ্ধ অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় অধ্যাপক শরীফকে পরে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আজ হাসপাতাল থেকে ভিডিওবার্তায় শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘তোমরা নিজেদের একাডেমিক জীবন নষ্ট কোরো না। কোনো স্বার্থান্বেষী মহল তোমাদের ব্যবহার করছে। সরকারের দেওয়া দায়িত্ব পালন করতে আমি চট্টগ্রামে এসেছি, কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে নয়।’

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তাসলিম উদ্দিন জানান, উপাচার্যের চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

অধ্যাপক সায়েমকে সরানোর প্রতিবাদে এবং তাকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করে আসছেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও একই দাবিতে ওইদিন থেকে কর্মবিরতি পালন করে আসছেন। এ কারণে ২৩ দিন ধরে চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা হচ্ছে।

টানা ২৩ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় চুয়েট শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেশনজট তৈরির শঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

RELATED ARTICLES

Most Popular