Homeঅর্থনীতিআকু বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৪.৮৫ বিলিয়ন ডলার

আকু বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৪.৮৫ বিলিয়ন ডলার

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল বাবদ ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে আজ বৃহস্পতিবার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

তেহরানভিত্তিক সংস্থা আকুর মাধ্যমে নয়টি সদস্যদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির লেনদেন নিষ্পত্তি হয়। সদস্য দেশগুলো হলো ভারত, বাংলাদেশ, ভুটান, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

আকুর আওতায় বাংলাদেশ প্রতি দুই মাস পরপর আমদানি বিল পরিশোধ করে। ফলে প্রতিবার বিল পরিশোধের পর সাময়িকভাবে রিজার্ভ কমে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালান্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়ালের ষষ্ঠ সংস্করণের হিসাব পদ্ধতিতে আকুর বিল পরিশোধের পর আজ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের দিন এ রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার।

আকুর মাধ্যমে আমদানি বিল পরিশোধের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে এখন বাজারে ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে।

আমদানি ব্যয়, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে গত ৪ নভেম্বর রিজার্ভ থেকে নিলামের মাধ্যমে ১০০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে টানা তিন বছর রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ ডলার বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে ২০২১ সালের আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানো রিজার্ভ কমে ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

২০২৪ সালের আগস্টে গভর্নরের দায়িত্ব নেওয়ার পর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছিলেন, রিজার্ভ থেকে আর ডলার বিক্রি করা হবে না। বর্তমান গভর্নরও একই অবস্থান বজায় রেখেছেন। এর ফলে রিজার্ভ বাড়তে থাকে।

গত ২৯ জুন তা ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায় এবং ১ সেপ্টেম্বর ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।

RELATED ARTICLES

Most Popular